দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচনা অনিশ্চয়তায় থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এক অঙ্কে নেমে এসেছে।
জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ক্লেপারের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার প্রণালিটি দিয়ে মাত্র সাতটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে, যা আগের দিনের তুলনায় অর্ধেক।
সাতটি জাহাজের মধ্যে চারটি হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করেছে এবং তিনটি বেরিয়ে গেছে। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবহন হওয়া অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে চলাচল করত।
বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো অতি বৃহৎ অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার চলাচল করেনি। তবে প্রোপেন ও বিউটেন বহনকারী একটি অতি বৃহৎ গ্যাসবাহী জাহাজ ইরানি পথ ব্যবহার করে প্রণালি অতিক্রম করেছে।
এদিকে, বাব আল-মান্দাব প্রণালিতেও বৃহস্পতিবার আগের দুই দিনের তুলনায় জাহাজ চলাচল কিছুটা কমেছে। ক্লেপারের তথ্য অনুযায়ী, এদিন প্রণালিটি দিয়ে মোট ২৩টি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। আগের দুই দিন প্রতিদিন ৩৪টি করে জাহাজ চলাচল করেছিল।
বৃহস্পতিবার বাব আল-মান্দাব প্রণালিতে ১৬টি জাহাজ প্রবেশ করেছে এবং সাতটি বেরিয়ে গেছে। বেরিয়ে যাওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে ‘স্টোয়িক ওয়ারিয়র’ ও ‘ডোকোস’ নামের দুটি সুয়েজম্যাক্স ট্যাংকার ছিল। জাহাজ দুটি যথাক্রমে ভিয়েতনাম ও ভারতের উদ্দেশে অপরিশোধিত তেল বহন করছিল।
তবে বৃহস্পতিবার বাব আল-মান্দাব প্রণালি দিয়েও কোনো অতি বৃহৎ অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ বা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার চলাচল করেনি।
ক্লেপারের এই তথ্যের মধ্যে অবশ্য যেসব জাহাজ সংকেত প্রেরণকারী যন্ত্র বন্ধ রেখে নৌপথে চলাচল করেছে, সেগুলোর হিসাব অন্তর্ভুক্ত নয়।
/অ